বৃহস্পতিবার

,

১১ই জুন, ২০২৬

ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি খলিলের

নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: সংগৃহীত

আইস-এর আটক কেন্দ্র থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী মাহমুদ খলিল ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও বেআইনি বন্দিত্বের অভিযোগে ২০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) তার আইনজীবীরা এই দাবির আবেদন জমা দেন।

মাহমুদ খলিল জানান, তিনি এ দাবি করেছেন কারণ প্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করেন, তারা কারো জবাবদিহির মধ্যে নেই।

এক বিবৃতিতে খলিল বলেন, “আমি এই বার্তাটা দিতে চাই যে, আমাকে ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখা যাবে না। ওরা ক্ষমতার অপব্যবহার করছে, কারণ তারা মনে করে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে। যদি তাদের কোনোভাবে জবাবদিহির আওতায় আনা না যায়, তাহলে এমন আচরণ চলতেই থাকবে।”

তিনি জানান, ক্ষতিপূরণ আদায় হলে তা তিনি অন্য ভুক্তভোগীদের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন, যারা ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের কারণে সরকারের টার্গেটে পরিণত হয়েছেন।

মার্চ মাসে আমেরিকায় গাজা যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে খলিলকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন এজেন্টরা এবং তিন মাসের বেশি সময় ধরে আটক রাখা হয়। যদিও তিনি আমেরিকার বৈধ বাসিন্দা, তাকে ‘হামাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত’ বলে অভিযোগ তোলে সরকার, কিন্তু এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

খলিল বলেন, তিনি এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং কারাবন্দি অবস্থায় মানসিকভাবে প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছেন। তিনি আরও জানান, যদি ক্ষতিপূরণ না পান, তবে একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা ও নির্বাসন নীতিতে পরিবর্তনের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাবেন।